Breaking News

বেশি মাংস খেয়ে পেটের সমস্যা হলে ঘরোয়া যেসব সমাধান হাতের কাছেই পাবেন

১. পে’ট ফাঁপা বা গ্যাসট্রিক: পে’টে গ্যাস থেকে মু’ক্তি পাওয়ার সহজ ঘরোয়া সমাধান হলো আদা খাওয়া। প্রতিবেলা মাংস খাওয়ার পর এক টুকরা আদা মুখে নিয়ে চিবিয়ে খান। পে’টে গ্যাস জমবে না। কাঁচা আদা

চিবিয়ে খেতে না পারলে আদার চা পান করুন। বড় এক টুকরা আদা ছেঁচে পানিতে ফুটিয়ে নিন। বেশকিছুক্ষণ জ্বাল হলে নামিয়ে নিন। কুসুম গরম থাকতে পান করুন। দিনে দুই বেলা পান করলে উপকার পাবেন।

পে’ট ফাঁপা স’মস্যায় কাঁচা রসুনও উপকারী। রসুন মলা’শয়ে জী’বাণু বৃ’দ্ধিকে বা’ধা দেয়। কয়েক কোয়া কাঁচা রসুন চিবিয়ে খান। পে’ট ফাঁপা কমে যাবে।

গ্যাস্ট্রিকের ব্য’থা হলেই ওষুধ খাবেন না। সহনীয় গরম পানিতে আধা কাপ লেবুর রস মিশিয়ে খান। কিছুক্ষণের মধ্যেই ব্য’থা কমে যাবে। খাবারের ফাঁকে ফাঁকে পানি পানের অভ্যাস বাদ দিন। এতে খাবার ভালো হজ’ম

হয় না। আর গ্যাসে পে’ট ফেঁপে যায়। অস্থির লাগে। খাবারের আধা ঘণ্টা পরে পানি পান করুন। খুব প্রয়োজন হলে খাবারের মাঝে একঢোক পানি খেতে পারেন।

২. বদহজ’ম: বদহজ’মের জন্য ১ কাপ পানিতে ১ টেবিল চামচ সাদা ভিনেগার ও ১ চা চামচ মধু মিশিয়ে পান করুন। উপকার পাবেন। স’ঙ্গে স’ঙ্গে উপকার পেতে চাইলে ১ টেবিল চামচ আদার রস, ১ টেবিল চামচ লেবুর রস ও ১ চিমটি লবণ ভালো করে মিশিয়ে খান। এতে পানি মেশাবেন না। আদা কুচি লবণ দিয়ে চিবিয়ে খেলেও উপশম হবে স’মস্যার।

২ কাপ পানিতে এক টুকরা আদা কুচি দিয়ে জ্বাল দিয়ে ১ কাপ পরিমাণ করে এতে সামান্য মধু মিশিয়ে আদা চা তৈরি করে পান করুন। হজ’মের গণ্ডগোল হবে না। বদহজ’মে আরাম পেতে ২ কাপ পানিতে ১ টেবিল

চামচ দারুচিনি গুঁড়া দিয়ে জ্বাল দিন। পানি কমে অর্ধেক হলে নামিয়ে রাখু’ন। মধু মিশিয়ে গরম গরম পান করুন। দিনে দুবার পান করুন।

বেকিং সোডা বদহজ’মের স’মস্যা দূ’র ক’রতে খুবই কা’র্যকর। আধা গ্লাস পানিতে আধা চা চামচ বেকিং সোডা মিশিয়ে পান করুন। বদহজ’মের স’মস্যা দূ’র হবে। কুসুম গরম পানিতে সামান্য লবণ মিশিয়ে পান করলেও বেশ উপকার পাবেন।

৩. কোষ্ঠকাঠিন্য: কোষ্ঠকাঠিন্যে আশ জাতীয় খাবারের জুড়ি নেই। মাংসের পাশাপাশি কাঁচা সালাদ ও সবজি খাবেন। প্রতি বেলায় ১ বাটি পরিমাণ সালাদ বা সবজি খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে রেহাই মিলবে। বেশি পরিমাণ আমিষ খেলে কোষ্ঠকাঠিন্যের স’মস্যা হতেই পারে। রাতে ঘুমানোর আগে এবং সকালে ঘুম থেকে উঠে ইসবগুল খাবেন। ১ গ্লাস পানিতে ১ টেবিল চামচ ইসবগুল মিশিয়ে স’ঙ্গে স’ঙ্গে পান করুন। মনে রাখু’ন, ভিজিয়ে রাখলে ইসবগুলের উপকারিতা ন’ষ্ট হয়ে যায়।

বড় একটি সাদা এলাচ ১ কাপ গরম দুধে ভিজিয়ে রাখু’ন সারা রাত। সকালে এলাচটি থেঁতো করে দুধসহ খেয়ে নিন। খুব বেশি স’মস্যা হলে দিনে দুবার এভাবে খাবেন। কোষ্ঠকাঠিন্যের স’মস্যায় এলোভেরা জে’ল বেশ কা’র্যকর। কাঁটা চামচ দিয়ে একটা এলোভেরা পাতার শাস বের করুন। ১ গ্লাস পানির স’ঙ্গে মিশিয়ে সকালে খালি পে’টে পান করুন। উপকার পাবেন।

৪. পে’টে ব্য’থা: হালকা ও তীব্র পে’ট ব্য’থা উপশমে কাঁচা’পেঁপে বেশ উপকারী। পেঁপে কুঁচি করে কে’টে পানিতে ১০ মিনিট ফুটিয়ে নিতে হবে। পানি ছেঁকে কুসুম গরম অব’স্থায় পান ক’রতে হবে। দিনে দুতিন বার পান করলে উপকার পাওয়া যাবে। পে’টের ব্য’থা কমাতে আদাও ব্যবহার ক’রতে পারেন। আদার মধ্যে রয়েছে প্রদাহরো’ধী উপাদান। এটি প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে এবং পে’ট ব্য’থা কমায়। পান ক’রতে পারেন আদা চা। আদা চা বানাতে, এক কাপ গরম পানির মধ্যে কয়েক টুকরো আদা দিয়ে ফুটান। এর মধ্যে সামান্য মধু দিন। এরপর এটিকে পান করুন। এ ছাড়া আদা কুচিও চিবাতে পারেন।

পে’টের ব্যখায় হলুদও বেশ কা’র্যকর। এতে রয়েছে কারকিউমিন, যা প্রদাহ কমায় এবং পরিপাক ভালো ক’রতে সাহায্য করে। এক গ্লাস বা দুই গ্লাস পানির মধ্যে হলুদ দিয়ে গরম করুন। দিনে দুইবার এটি পান করুন। এ ছাড়া ৪০০ থেকে ৬০০ মিলিগ্রাম কারকিউমিন সাপ্লিমেন্ট দিনে তিনবার খেতে পারেন। তবে যেকোনো ওষুধ খাওয়ার আগে চিকি’ৎসকের প’রামর্শ নিন।

৫.ডায়রিয়া: ডায়রিয়া বা পাতলা পায়খানার স’মস্যায় স্যালাইন এবং নানান ধ’রনের ওষুধ রয়েছে। তবে যদি হাতের কাছে স্যালাইন বা ওষুধ না পাওয়া যায় তাহলে বাড়িতেই তৈরি ক’রতে পারেন খাওয়ার স্যালাইন। খাওয়ার স্যালাইন বানাতে হলে প্রয়োজন হবে চিনি, লবণ ও বিশুদ্ধ পানি। ভালো করে সিদ্ধ করা এক লিটার (প্রায় ৫ কাপ) পানিতে ৬ চা চামচ চিনি ও আধা চা চামচ লবণ ভালোভাবে মিশিয়ে তৈরি করা যায় লবণ জলের শরবত বা খাওয়ার স্যালাইন।

মাংস খেয়ে পে’টের স’মস্যা হলে বেশি করে পানি পান করা খুব জ’রুরি। ডায়রিয়ার কারণে শ’রীর থেকে প্রচুর পরিমাণে পানি বের হয়ে যায়। এছাড়া শ’রীর থেকে বিষাক্ত বর্জ্য ও ব্যাকটেরিয়া বের করে দেওয়াসহ তাড়াতাড়ি রো’গ নিরাময়ে পানি বেশ কা’র্যকর। পাশাপাশি শ’রীরের আর্দ্রতা বজায় রাখার জন্যও পানি খুবই গু’রুত্ব পূর্ণ।

Check Also

খাবারের অভাবে, নিজের ৩ মাসের সন্তানকে বিক্রি করলেন এক মা

পৃথিবীর সৃষ্টির পর থেকে কেউ বেশি খেয়ে মরছেন, আবার কেউ না খেয়ে মরছে না। সেই …